মঙ্গলবার, ০১ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
সংবাদিক নিয়োগ! আপনি যদি সাংবাদিকতা এবং প্রতিবেদনে অভিজ্ঞ হন এবং ব্রেকিং নিউজ থেকে প্রাথমিক প্রতিবেদন তৈরি করার জন্য আগ্রহী হন, তবে সম্মানিত সংবাদ সংস্থা তে আপনার জন্য সুযোগ আছে। সংবাদিক মান্যতা এবং প্রতিবেদন ক্ষমতা সাথে জয়েন করুন।
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় ৪০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার । চিকিৎসকদের ধর্মঘট বুধবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৫নারী শ্রমিকের মাতৃত্বকালীন ছুটি ও সুবিধা ৬ মাসের আইন কর কিশোর গ্যাং মাদক ও সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তনা আশুলিয়া  কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ উচ্চ পর্যায়ে পতাকা বৈঠক  আশুলিয়ায় মুরগী ব্যবসায়ীদের প্রতারনা ঠাকুরগাঁওয়ে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে দুই কারারক্ষীকে বরখাস্ত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার: প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে মানবন্ধন ও সমাবে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ট্রাষ্টি নলেজ কে গ্রেফতার দাবিতে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ  আশুলিয়ায় শ্রমিক নেতাদের উপর হামলা; ৩ কর্মকর্তা আটক

অনলাইন প্রতারণা মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৪৬ অভিবাসী গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট; মালয়েশিয়ায় বিদেশীদের দ্বারা পরিচালিত অনলাইনে জালিয়াতি ও প্রতারক চক্রের ৪৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। গ্রেফতার ৪৬ জনই অভিবাসী। এর মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছে। তবে এর মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন তা জানা যায়নি। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কুয়ালালামপুরের কুচাই লামার ১৭টি বিলাসবহুল আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন দেশের ৪৬ নাগরিককে গ্রেফতার করে। এ সময় বিদেশীদের দ্বারা পরিচালিত একটি অনলাইন জালিয়াতি ও প্রতারক চক্রের মুখোশ উন্মোচন করে জেআইএম।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জেআইএম-এর উপমহাপরিচালক (অপারেশনস) জাফরি এমবক তাহা বলেন, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে অভিযানে চীন, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, লাওস এবং থাইল্যান্ডের ৪৬ নগরিককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অভিবাসীদের বয়স ২৩ থেকে ৫৪ বছরের মধ্যে।

জেআইএম বলছে, প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে পাওয়া জনসাধারণের এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দেখা গেছে, একটি সিন্ডিকেট স্থানটি ভাড়া নিয়েছিল কল সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। এই কল সেন্টারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের সোনা, সম্পত্তি, বিলাসবহুল জাহাজ, স্টক বিনিয়োগ এবং বিদেশী মুদ্রা কেনার প্রস্তাব দিয়ে প্রতারণা করা হতো। তারা কেবল স্থানীয়দেরই লক্ষ্য করছে না বরং বিদেশের, বিশেষ করে তাদের নিজস্ব দেশ থেকে আসা গ্রাহক বা ভুক্তভোগীদের কাছেও পৌঁছাচ্ছে।

জাফরি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় তিন মাস ধরে এই সিন্ডিকেটটি কাজ করছে। তারা ফেসবুক, টিকটক, উইচ্যাট, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং অন্যান্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের খুঁজে বের করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত